The Beauty of the Hibiscus Flower, Matin the Goat's Antics, and My Daily Diary
<div class ="text-justify"
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগেই আজ একটু প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে বাইরে বের হয়েছিলাম। বাইরে
গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার মতো সময় কাটাই। বিশেষ করে আমার ছোট ভাই নুরনবী ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছে, তাই সে বাড়িতে থাকলে আমরা প্রায়ই একসাথে বাইরে ঘুরতে যাই। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
যাইহোক,সকালে দুজন মিলে প্রকৃতির মাঝে ঘোরাঘুরি করে বাড়ির দিকে ফিরছিলাম। ফেরার পথে মিনাদের বাড়ির সামনে দিয়ে আসার সময় তাদের বাড়ির পাশেই একটি জবাফুল গাছ দেখতে পাই।
গাছটিতে ফুটে থাকা একটি সুন্দর জবাফুল আমার খুব ভালো লাগে। আসলে আমি এমনিতেই বিভিন্ন ধরনের ফুল খুব পছন্দ করি। তাই ফুলটি দেখে মোবাইল ফোন বের করে একটি ছবি তুলে রাখি। সেই ছবিটিই আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
ছবি তোলার কিছুক্ষণ পর বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে এসে দেখি আপু শরবত তৈরি করে আমার জন্য এক গ্লাস আলাদা করে রেখে দিয়েছে। বর্তমানে প্রচণ্ড গরম পড়ছে, তাই আপু প্রায়ই শরবত তৈরি করে। আমি বাড়িতে এসে সেই শরবত পান করি। শরবত খেয়ে বেশ ভালো লাগলো।
এরপর কিছুক্ষণ পর সকালের খাবার খাই। সকালের খাবার শেষ করে একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য রুমে যাই। বিশ্রাম নেওয়ার সময় হঠাৎ আপু আমাকে ডাক দিয়ে বললো, “দেখো তো, আমাদের ছাগল মতিন কী
করছে!” আমি বাইরে গিয়ে দেখি, মতিন উঠানে লাফালাফি করছে। কখনো উপরে উঠছে আবার কখনো নিচে নেমে আসছে। তার এই মজার কাণ্ড দেখে আপু হাসছিল, আমিও দৃশ্যটি দেখে বেশ হাসলাম।
আমাদের ছাগল মতিন মাঝে মাঝেই এমন মজার কাজ করে, যা দেখে পরিবারের সবাই আনন্দ পায়।
তার লাফালাফির কয়েকটি ছবি আমি তুলে রাখি এবং সেগুলোও আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি।
এরপর দুপুর পর্যন্ত বাড়িতেই সময় কাটাই। দুপুরে যোহরের আযান হলে গোসল করে ফ্রেশ হই এবং দুপুরের খাবার খাই। খাবার শেষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিকেল তিনটার দিকে আমি এবং আমার বোন জামাই বাইরে বের হই।
বাইরে গিয়ে প্রথমে আমার ভাতিজার দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে ৫০ টাকা দিয়ে একটি মিরিন্ডা কিনি। এরপর আমরা দুজন মিলে সেটি খাই। কিছু সময় দোকানে বসে গল্পগুজব করার পর সেখান থেকে নাটুয়ারপাড়া বাঁধের দিকে চলে যাই।
বাঁধে গিয়ে আমরা দুজন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে সময় কাটাই। চারপাশের পরিবেশও বেশ সুন্দর লাগছিল। এভাবে গল্প করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে যায়।
সন্ধ্যার পর আমরা গুলমোর বাজারে যাই। সেখানে ভাইয়ের কিছু প্রয়োজনীয় কাজ ছিল, সেগুলো সম্পন্ন করে। আমারও কিছু কাজ ছিল, সেগুলো শেষ করি। এরপর বাড়ি ফেরার পথে ছোট ভাই জাকারিয়াদের দোকান থেকে ২০ টাকার মেথি কিনে নিয়ে আসি।
আমি নিয়মিত মেথি দানা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খাই। মেথির অনেক উপকারিতা রয়েছে। বিশেষ করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে, চুল
পড়া হ্রাস করতে এবং শরীরের বিভিন্ন উপকারে এটি সহায়তা করে। আমি নিজেও নিয়মিত মেথি খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে অনেকটাই উপকার পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।
বাড়িতে এসে মেথি রেখে টিউবওয়েলের পাশে গিয়ে ফ্রেশ হই। এরপর রুমে ফিরে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত প্রায় ৮টা বাজে। তখন পরিবারের সবাই মিলে রাতের খাবার খাই।
রাতের খাবার খাওয়ার পর আমি, আমার বোন জামাই, আমার বোন এবং আমার ওয়াইফ—আমরা চারজন মিলে মোবাইলে লুডু খেলতে বসি। অনেকক্ষণ ধরে আনন্দের সাথে লুডু খেলে সময় কাটাই। খেলতে খেলতে কখন যে রাত ১১টা বেজে যায় টেরই পাইনি।
রাত ১১টার দিকে দিনের সকল কাজ শেষ করে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিই এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এভাবেই কেটেছিল আমার সেই দিনের সম্পূর্ণ সময়।আশা করি আমার আজকের ডায়েরিটি আপনাদের ভালো লাগবে।পোস্টটি পড়ে আপনাদের মতামত অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।
</div
Komentarze